Featured Posts

[Travel][feat1]

আকার দেখে দেশ চিনুন , দেখুন কত ভূগোল জানুন ?

11:08 PM

আকার দেখে দেশ চিনুন , দেখুন কত ভূগোল জানুন ?


country shape quiz mission geography

আপনি কি ভূগোল ভালোবাসেন ? নতুন নতুন দেশ সম্পর্কে জানতে ভালবাসেন ? তাহলে এই ক্যুইজে আপনার অবশ্যই অংশগ্রহন করা উচিত । যেখানে আপনার সামনে কিছু দেশের ছবি থাকবে , এবং চারটি করে অপশন থাকবে । আপনাকে বেছে নিতে হবে আসলে সেই ম্যাপটি বা ছবিটি কোন দেশের ? মোট ২০ টি দেশকে আপনাকে চিহ্নিত করতে হবে । আপনি কি প্রস্তুত ? আপনি কি নিশ্চিত আপনি সবগুলি পারবেন ? নাহলেও চেষ্টা করতে ক্ষতি কি ? দেখুন না আপনা স্কোর কত হয় ? কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না যে ২০ দেশের মধ্যে আপনি কতগুলি সঠিক দেশকে চিহ্নিত করতে পেরেছেন । এখানে কোন সময় সীমা নেই । তাই ধিরে সুস্থে উত্তর দেবেন । চলুন শুরু করা যাক ...

PLAY QUIZ



আকার দেখে দেশ চিনুন , দেখুন কত ভূগোল জানুন ? আকার দেখে দেশ চিনুন , দেখুন কত ভূগোল জানুন ? Reviewed by Admin on 11:08 PM Rating: 5

উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2020 ।। HS GEOGRAPHY SUGGESTION 2020 PDF FILE DOWNLOAD

12:09 PM

উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2020 ।। HS GEOGRAPHY SUGGESTION 2020 PDF FILE DOWNLOAD


WBCHSE GEOGRAPHY SUGGESTION 2020 MISSION GEOGRAPHY
WBCHSE GEOGRAPHY SUGGESTION 2020 MISSION GEOGRAPHY


বহির্জাত প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট ভূমিরূপ :-----


(1).পর্যায়ণ কাকে বলে ? এর মাধ্যম গুলি কি কি ?
(2).পার্থক্য লেখ __(a)আরোহণ ও অবরোহন (b)অন্তর্জাত  ও বহির্জাত প্রক্রিয়া 

ভৌমজল ও কাস্ট অঞ্চল :---------


(1).ভৌমজলের নিয়ন্ত্রক সমূহ ব্যাখ্যা করো ।
(2).উৎপত্তি ও অবস্থান অনুসারে ভৌমজলের প্রকারভেদ গুলি আলোচনা করো ।
(3).কাস্ট অঞ্চল অনূর্বর কেন ?
(4)আর্টেজিয় কূপের উৎপত্তি লেখ ?
(5).অ্যাকুইফার ও প্রস্রবনের শ্রেণীবিভাগ করো ।
(6). পার্থক্য লেখ __(a)অ্যাকুইফার ও অ্যাকুইক্লূড (b)স্ট্যালাকটাইট ও স্ট্যালাগমাইট 


উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2020 ।। HS GEOGRAPHY SUGGESTION 2020 PDF FILE DOWNLOAD


সামুদ্রিক প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট ভূমিরূপ:-----


(1).সমুদ্রতরঙ্গের ক্ষয় ও সঞ্চয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপের বর্ণনা দাও ।
(2).প্রবাল প্রাচীর গঠনের শর্ত ও শ্রেণীবিভাগ আলোচনা করো ।
(3).উপকূলের শ্রেণীবিভাগ করো ।
(4).পার্থক্য লেখ ___(a)গঠনকারী ও বিনাশ কারী তরঙ্গ (b)সম্মুখ ও পশ্চাৎ তটভূমি (c)স্ট্যাক ও স্ট্যাম্প (d)রিয়া ও ফিয়র্ড উপকূল ।

ক্ষয়চক্র :-------


(1).ডেভিসের ক্ষয়চক্র মতবাদ আলোচনা করো ।
(2). পুনযৌবন লাভের কারণ গুলি লেখ ।
(3).ক্ষয়চক্রের ব্যাঘাত বা বাধা কি ?
(4).পার্থক্য লেখ __(a)পেনীপ্লেন ও পেডিপ্লেন (b)সোনাডনক ও ইনসেলবার্জ
(c)স্বাভাবিক ক্ষয়চক্র ও মরু ক্ষয়চক্র ।

আরও পড়ুনঃ- ভূগোলের সংজ্ঞা দিন । সময়ের সাথে ভূগোলের সংজ্ঞার পরিবর্তন আলোচনা করুন । Mission Geography


জল নির্গম প্রণালী :---------


(1).ভূতাত্ত্বিক গঠন কি ভাবে জল নির্গম প্রণালীকে প্রভাবিত করে ?
(2).পার্থক্য লেখ :____(a)কেন্দ্রমুখী ও কেন্দ্রবিমুখ  জল নির্গম প্রণালী (b)বৃক্ষরুপি ও জাফরীরুপি জল নির্গম প্রণালী (c)জাফরীরুপি ও আয়তাকার (d)পূর্ববর্তী ও অধ্যারোপিত নদী ।
(3).গ্রীনহাউস এফেক্ট /গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর প্রভাব আলোচনা করো ।
(4).গ্রীনহাউস এফেক্ট নিয়ন্ত্রনের উপায় বা গ্রীনহাউস গ্যাস কমানোর উপায় লেখ।
(5).জলবায়ু পরিবর্তনের তিনটি প্রমাণ বর্ণনা করো ।


উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2020 ।। HS GEOGRAPHY SUGGESTION 2020 PDF FILE DOWNLOAD


জীববৈচিত্র্য :-------


(1).জীববৈচিত্র্য বিনাশের বা হ্রাসের কারণ সমূহ লেখ ।
(2).জীববৈচিত্র্য বিনাশে মানুষের ভূমিকা কত খানি 
(3).জিনগত প্রজাতিগত ও বাস্তূতান্ত্রিক বৈচিত্র্য কাকে বলে ?
(4).জীববৈচিত্র্য এর গুরুত্ব লেখ ।
(5).জীববৈচিত্র্য সংরক্ষনের গুরুত্ব লেখ ।
(6).ইনসিটু ও এক্সসিটু সংরক্ষনের পার্থক্য লেখ ।


আরও পড়ুনঃ- LIST OF BIOSPHERE RESERVES IN INDIA


মানুষ -পরিবেশ মিথস্ক্রিয়া :-----------


(1).প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও মনুষ্য সৃষ্ট বিপর্যয়ের পার্থক্য লেখ ।
(2)বিপর্যয় ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন পর্যায় গুলো আলোচনা করো ।


উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2020 ।। HS GEOGRAPHY SUGGESTION 2020 PDF FILE DOWNLOAD


মৃত্তিকা :--------


(1).মৃত্তিকা পরিলেখের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও ।
(2).মৃত্তিকা সৃষ্টিতে আবহবিকারের ভূমিকা লেখ ।
(3).মৃত্তিকা ক্ষয়ের পদ্ধতি সমূহের বর্ণনা দাও ।
(4).মৃত্তিকা অবনমনের কারণ ও সংরক্ষনের উপায় সমূহ বর্ণনা করো ।
(5).এরিডিসল , ভাটিসল ,মলিসল ,হিস্টোসল ,অস্কিসল ,এন্টিসল ও অ্যান্ডিসল   এর  দুটি করে বৈশিষ্ট্য লেখ ।
(6) পার্থক্য লেখ __(a)এলুডিযয়েশন ও ইলুডিয়েশন (b)পেডোক্যাল ও পেডালকার মাটি (c)আঞ্চলিক ,অনাঞ্চলিক ও আন্ত:আঞ্চলিক মাটি ।

আরও পড়ুনঃ-  বর্হিজাত প্রক্রিয়া অ তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ


বায়ুমণ্ডলীয় গোলযোগ :-------


(1).প্রতীপ ঘূর্ণাবাতে শান্ত আবহাওয়া থাকে কেন ?
(2).ওয়াকার সার্কুলেশনের বর্ণনা দাও ?
(3).জেটবায়ুর বৈশিষ্ট্য এবং মৌসুমী বায়ুর সাথে সম্পর্ক লেখ ?
(4).ত্রীকোনীয় মডেলের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও ।
(5).মৌসুমী বায়ুর উপর এলনিনোর প্রভাব আলোচনা করো ।
(6).পার্থক্য লেখ ___(a)ঘূর্নোবাত ও প্রতীপ ঘূর্নোবাত (b)উষ্ণ ও শীতল সীমান্ত
(c)এলনিনো ও লা-নিনা (d)ক্রান্তিয় ও নাতিশীতোষ্ণ ঘূর্নোবাত ।


উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2020 ।। HS GEOGRAPHY SUGGESTION 2020 PDF FILE DOWNLOAD


জলবায়ুর শ্রেণীবিভাগ :------


(1).কোপেনকৃত জলবায়ুর শ্রেণীবিভাগটি উল্লেখ করো ।
(2).জলবায়ু অঞ্চলের সংঙ্গা ও বৈশিষ্ট্য লেখ ।
(3).নিরক্ষীয় জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য লেখ ।
(4).মৌসুমী ও ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য লেখ ।
(5).ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুতে শীতকাল আদ্র ও গ্রীষ্মকাল শুষ্ক হয় কেন ?

জলবায়ু ও স্বাভাবিক উদ্ভিদ :-------


(1).স্বাভাবিক উদ্ভিদের উপর জলবায়ুর প্রভাব আলোচনা করো ।
(2).হাইড্রোফাইট উদ্ভিদের শ্রেণীবিভাগ করো ।
(3).হাইড্রোফাইট ও হ্যালোফাইটের অভিযোজনগত বৈশিষ্ট্য গুলি লেখ ।
(4).আলোকপ্রেমী ও আলোকবিদ্বেষী উদ্ভিদের পার্থক্য লেখ ।


উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2020 ।। HS GEOGRAPHY SUGGESTION 2020 PDF FILE DOWNLOAD


জলবায়ুর পরিবর্তন :-------


(1).জলবায়ু পরিবর্তনের প্রাকৃতিক ও মনুষ্য সৃষ্ট কারণ সমূহ আলোচনা করো ।
(2).ওজোনস্তর হ্রাসের কারণ ও প্রভাব সমূহ আলোচনা করো ।


উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশনের PDF FILE টি ডাউনলোড করতে লিঙ্কে ক্লিক করুন -
HS GEOGRAPHY SUGGESTION 2020 PDF FILE DOWNLOAD 

উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষায় সফল হওয়ার টিপস এখানে ক্লিক করুন


উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোলের সাজেশন
HS Annual Examination 2020 , WBCHSE


উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2020 ।। HS GEOGRAPHY SUGGESTION 2020 PDF FILE DOWNLOAD উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2020 ।। HS GEOGRAPHY SUGGESTION 2020 PDF FILE DOWNLOAD Reviewed by Admin on 12:09 PM Rating: 5

Who should be the father of nation? Mahatma Gandhi or Netaji Subhas Chandra Bose ? vote for

1:03 AM

Who should be the father of  nation? Mahatma Gandhi or Netaji Subhas Chandra Bose ? vote for
Who should be the father of  nation? Mahatma Gandhi or Netaji Subhas Chandra Bose ? vote for
Mahatma Gandhi vs Netaji Subhas Chandra Bose




Who should be the father of nation?

Mahatma Gandhi
Netaji Subhas Chandra Bose
Created by MISSION GEOGRAPHY


Who should be the father of nation? Mahatma Gandhi or Netaji Subhas Chandra Bose ? vote for Who should be the father of  nation? Mahatma Gandhi or Netaji Subhas Chandra Bose ? vote for Reviewed by Admin on 1:03 AM Rating: 5

ভূগোলের সংজ্ঞা দিন । সময়ের সাথে ভূগোলের সংজ্ঞার পরিবর্তন আলোচনা করুন । Mission Geography

12:31 AM

ভূগোলের সংজ্ঞা দিন । সময়ের সাথে ভূগোলের সংজ্ঞার পরিবর্তন আলোচনা করুন । Mission Geography

What is Geography । Mission Geography
WHAT IS GEOGRAPHY
প্রাচীন গ্রিক পণ্ডিত এরাতস্থেনিস প্রথম Geography শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন । তার মতে ‘Geography’ হল পৃথিবীর বর্ননা । দুটি গ্রিক শব্দ ‘Geo’ অর্থাৎ কঠিন , তরল ও বায়বীয় পদার্থের সমন্বয়ে গঠিত ‘পৃথিবী’ এবং ‘Graphy’ অর্থাৎ বর্ননা এদের মিলনেই ‘Geography’ শব্দটির উতপত্তি হয়েছিল । ভারতে অবশ্য Geography শব্দটির পরিবর্তে ভূগোল শব্দটি ব্যবহার করা হত । তবে প্রাচীনকাল থেকেই দেশ ও কাল ভেদে পরিবর্তনশিল অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে ভূগোলের সংজ্ঞাও পরিবর্তিত হয়ে চলেছে । প্রাচীনকাল থেকে ভূগোলের পরিবর্তিত সংজ্ঞা নিয়ে আলোচনা করা হল –

·       প্রাচীনকালঃ-

Definition of geography in ancient world . mission geography
DEFINITION OF GEOGRAPHY IN ANCIENT WORLD


বিখ্যাত রোমান ভূগোলবিদ  Strabo , 10 A.D ভূগোলের সংজ্ঞা দেন এভাবে , ‘ ভূগোল আমাদেরকে পৃথিবীর জলরাশি ও স্থলভাগের সমস্ত জীব সম্পর্কে জ্ঞান দেয় এবং একই সাথে পৃথিবীর বৈশিষ্ট্যগুলোকে ব্যখ্যা করে ।’
অপর রোমান ভৌগলিক ক্লাউদিয়াস টলেমী এর মতে ‘ভূগোল হল সেই উন্নত বিষয় , যা মহাবিশ্ব মাঝে পৃথিবীর এক ঝলক দেখায়’ । প্রাচীনকালের অনেক পণ্ডিতগণই মনে করতেন ‘ পৃথিবীর আকৃতি , ভূমিরূপের বৈশিষ্ট্য , বারিমন্ডল এবং এর  অধিবাসী ও অন্যান্য জীবের বৈশিষ্ট্য সমীক্ষা করে ভূগোল । প্রকৃতপক্ষে এইসময় থেকেই ভূগোলের প্রাকৃতিক ও সামাজিক এই দুইপ্রকার উপাদান ,শক্তি , প্রক্রিয়া ও প্রভাব স্বীকৃতি লাভ করতে শুরু করে , তবে এইসময় ভৌগোলিকগন খ্রিস্টধর্মের প্রভাবে সমস্ত জাগতিক বিষয়গুলো ‘ঐশ্বরিক ইচ্ছার ফল’ হিসাবে ব্যখ্যা দেওয়া শুরু করলে মানুষের মনে নতুন নতুন দেশ সম্পর্কে জানার আগ্রহ হ্রাস পায় ।

·       মধ্যযুগঃ-

Geography definition in medieval period . mission geography
GEOGRAPHY IN MEDIEVAL PERIOD

মধ্যযুগে ভূগোল চর্চায় ব্রতী ছিলেন প্রধানত আরব দেশের মুসলমান পণ্ডিতগন , তারা দেশ ভ্রমনের সাথে সাথে বর্ননাও করতেন । পঞ্চদশ শতাব্দীর প্রথমভাগে ভ্যারনিয়াস ১৬২২ খ্রিস্টাব্দে  ভূগোলের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছেন ‘ ভূগোল হল মিশ্র গনিতের সেই অংশ যা পৃথিবীর অবস্থা এবং এর অবয়ব , স্থান , বিশালতা , গতি , মহাজাগতিক বৈচিত্র্যতা প্রভৃতির গুনগত বিভিন্ন অংশের উপর নির্ভর করে ব্যাখ্যা প্রদান করে’ ।
অর্থাৎ তার মতে “ প্রকৃত বা খাঁটি ভূগোল হল গনিতের একটি অংশ মাত্র , এতে মানুষ ও তার সংস্কৃতির কোন স্থান নেই ।
Geography is that part of mixed mathematics , which explains the state of the earth and of its parts depending on quality . viz its figure , place , magnitude and motion with the celestial appearance etc.”

তবে ভূগোলের সঠিক  সংজ্ঞা দেওয়া নিয়ে ভৌগোলিকদের মধ্যে অস্বচ্ছতার শুরু হয় ভ্যারোনিয়াসের সময় থেকেই । এর পরবর্তীকালে অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে জার্মান পণ্ডিত ইমানুয়েল কান্ট এর মতে “ভূগোল হচ্ছে পৃথিবীর সমীক্ষা । এটি পৃথিবীর বিভিন্ন অংশের বিভিন্নতা ব্যাখ্যা করেও থাকে” । ( Geography is the ready of the earth. In it incidents and active relation are considered specially important. ) তার মতে মানুষ  ও প্রকৃতি তখনই ভূগোলের বিসয়বস্তু রুপে গন্য হবে যখন তারা একত্রিত হয়ে সম্পর্কযুক্ত হবে । তিনি আরও বলেছিলেন ‘কাল’(Time) হল ইতিহাসের বিষয়বস্তু এবং দেশ(Space) হল ভূগোলের । অর্থাৎ ইতিহাস কালিক ক্রমপর্যায় (Temporal Sequence) আলোচনা করবে এবং ভূগোল করবে স্থানিক ঘটনাগুলির আলচনা ।

·       আধুনিক যুগঃ-

Geography definition in modern period . mission geography
GEOGRAPHY IN MODERN PERIOD

উনবিংশ শতাব্দীতেই আধুনিক ভূগোলের জয়যাত্রা শুরু হয় দুই জার্মান ভৌগলিক পণ্ডিত আলেকজান্ডার হামবোল্ট এবং রিটারের নেতৃত্বে । এই দুজনকেই ধ্রুপদী ভূগোল বা আধুনিক ভূগোলের জনক বলা হয় ।
হামবোল্টের মতে (A Humboldt ) ভূগোল হল আদি বিজ্ঞান , যা কেবলমাত্র প্রাকৃতিক ও জীববিজ্ঞান থেকে তথ্য আহরন করে না , তার মতে Geography is the science related to neture..in it are studied and described all things found on earth. অর্থাৎ ‘ভূগোল হচ্ছে প্রকৃতির সাথে সম্পর্কিত বিজ্ঞান , পৃথিবীতে যা কিছু দেখা যায় তার সমীক্ষা ও বর্ননা এতে করা হয়’ ।
আবার কার্ল রিটার (Carl Ritter ) এর মতে “Geography is the department of science that’s deals with the goal in all its features, phenomena and relation as an independent unit and  shows the connection of this unified whole with man and with man’s creator.” অর্থাৎ ভূগোল হল বিজ্ঞানের সেই শাখা যা পৃথিবীর সমস্ত অবয়ব , বৈচিত্র্য এবং সম্পর্কসহ একটি স্বতন্ত্র একক হিসাবে বিচার করে এবং মানুষ ও মানুষের স্রস্টার সাথে এই সার্বিক ঐক্যের যোগ দেখায় ।
তবে হামবোল্ট ও রিটারের যে বক্তব্যটি আধুনিক ভৌগলিকরা মেনে নিয়েছেন একবাক্যে তা হল ভূগোল ই হল আদি , মাতৃসম শাস্ত্র , যা থেকে উদ্ভুত হয়েছে ভু আকৃতি বিজ্ঞান , আবহবিজ্ঞান , মৃত্তিকা বিজ্ঞান , উদ্ভিদ ভূগোল , আঞ্চলিক বিজ্ঞান ইত্যাদি বিশেষায়িত শাখা ।
১৮৭৭ সালে ফরাসী ভৌগলিক ভিদাল দ্য লা ব্লাশে (Vidal de la Blache ) এর মতে “Geography is the science of place , not man” অর্থাৎ ভূগোল হল স্থানের বিজ্ঞান মানুষের বিজ্ঞান নয় ।

১৯৫৯ সালে মার্কিন ভৌগোলিক রিচার্ড হার্টশোর্নের ( Rechard Hartshone ) এর মতে “Geography is concerned to provide an accurate orderly and rational description and interpretation of the variable character of the earth’s surface.” অর্থাৎ ভূ-পৃষ্ঠের পরিবর্তনশীল ও বৈচিত্র্যময় চরিত্রের নির্ভুল , নিয়মবিন্যস্ত ও যুক্তিসঙ্গত বর্ণনা ও ব্যখ্যা দেওয়াই ভূগোলের কাজ ।
হার্টশোনের চিন্তাধারার সম্পুর্ন বিরোধী স্কিফার (Schaefer ) বলেন , “ ভূপৃষ্ঠে বিশেশ বিষয়ের দৈশিক বণ্টন সংক্রান্ত সুত্র গড়ে তলে এমন বিজ্ঞানই হল  ভূগোল”। তার এই চিন্তাধারাকে ‘নিয়মস্থাপনকারী’ আখ্যা দেওয়া হয় , তিনি বলেন দৈশিক বিজ্ঞান হিসাবে ভূগোলের মূল বিষয় হল দেশ ।
ব্রিটিশ ভৌগোলিক উলড্রিজ ও ইস্ট ( S W Wooldrige and W. Gordon East , 1951 ) বলেন “Geography concerns land and man.”
১৯৬২ সালে মার্কিন ভৌগোলিক উইলিয়াম বাঙ্গে (W. Bange) বলেন “Geography is the science of location.” অর্থাৎ ভূগোল হল অবস্থানের বিজ্ঞান ।
১৯৬৩ সালে অপর মার্কিন ভৌগোলিক আকারম্যান (Edward A. Ackerman) বলেন “ পৃথিবী পৃষ্ঠের প্রাকৃতিক পরিবেশে সব মানবীয় বিষয়াদির সম্মিলিত বিশাল মিথস্ক্রিয়া পদ্দতির উপলব্ধি ছাড়া ভূগোলের অন্য কিছুই লক্ষ্য নেই , তিনি আবার ১৯৬৫ সালে বলেন “Geography is the study of spatial distribution and space relations of the earth’s surface.”
ব্রিটিশ ভূগোলবিদ এল ডাডলে স্ট্যাম্প (L . Dudley Stamp) তার অভিধানে ভূগোলের সংজ্ঞা দেন এভাবে – “Geography is the science of human circumstance. It describe the earths surface. Its inhabitants and discuses about the relation of different area.” অর্থাৎ ভূগোল হচ্ছে মানুষের পরিস্থিতিগুলোর বিজ্ঞান , যা ভূপৃষ্ঠের তথা এর উপর বসবাসকারী অধিবাসীদের বর্ণনা দেয় এবং এলাকাগুলোর সম্বন্ধে আলোচনা করে।
আবার মংকহাউস ( E.J.Monkhouse ) তার ভূগোলের অভিধানে বলেছেন মানুষের আবাস স্থল হিসাবে ভূপৃষ্ঠের স্থানিক পারথক্যীকরণ সমীক্ষা করা নিয়ে ভূগোল গড়ে উঠেছে ।
মার্ক্সবাদী ভৌগোলিক পিটের (Peet ) এর মতে একটি সম্পুর্ন বিজ্ঞানের যে অংশ একদিকে সামাজিক প্রক্রিয়া এবং দৈশিক প্রক্রিয়া এবং দৈশিক প্রক্রিয়াগুলির পারস্পরিক সম্বন্ধ নিয়ে আলোচনা করে তাই হল মার্ক্সিয় ভূগোল ।
সুতারাং উপরোক্ত আলোচনা থেকে বোঝা যায় বেশিরভাগ ভৌগোলিকদের প্রদত্ত সংজ্ঞায় মিল না থাকলেও মূল কথা হল পৃথিবী , মানুষ এসবের আলোচনাই হল ভূগোলের প্রধান আলচ্য বিষয় । যার পরিধি সময়ের সাথে সাথে বৃদ্ধি পেয়েছে , আর ভূগোল হয়ে  উঠেছে এক সাংশ্লেষিক বিষয় ।


( এই লেখাটির দ্বারা ভূগোলের ছাত্র ছাত্রীরা সামান্যতম উপকৃত হলে কমেন্ট করে জানাবেন ! )




ভূগোলের সংজ্ঞা দিন । সময়ের সাথে ভূগোলের সংজ্ঞার পরিবর্তন আলোচনা করুন । Mission Geography ভূগোলের সংজ্ঞা দিন । সময়ের সাথে ভূগোলের সংজ্ঞার পরিবর্তন আলোচনা করুন । Mission Geography Reviewed by Admin on 12:31 AM Rating: 5

গঙ্গা-পদ্মা-মেঘনার বদ্বীপের সক্রিয় অংশের ( সুন্দরবনের ) পৃথিবীব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব

9:11 PM

গঙ্গা-পদ্মা-মেঘনার বদ্বীপের সক্রিয় অংশের ( সুন্দরবনের ) পৃথিবীব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব

গঙ্গা-পদ্মা-মেঘনার বদ্বীপের সক্রিয় অংশের ( সুন্দরবনের ) পৃথিবীব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব:

গঙ্গা-পদ্মা-মেঘনার বদ্বীপের সক্রিয় অংশের ( সুন্দরবনের ) পৃথিবীব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব



গঙ্গা-পদ্মা-মেঘনার এই তিনটি নদী গঠিত পৃথিবীর বৃহত্তম বদ্বীপের অংশবিশেষ বঙ্গোপসাগরের কোণঘেঁষা সুন্দরবন অঞ্চলটি হল নানান ধরনের ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদের বাস্তুভূমি যা বাংলাদেশের ছটি জেলা পশ্চিমবঙ্গের দুটি জেলার  ( উত্তর দক্ষিণ ২৪ পরগণা ) প্রায় ১৩০০ বর্গ কিলোমিটারের অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত বর্তমানে বিশ্বব্যাপী জলবায়ুর পরিবর্তন সুন্দরবনের আয়তন , ফুল , গাছ , পাখি , উদ্ভিদ প্রাণীর বৈচিত্র্য এবং জনবসতির ওপর গভীর প্রভাব বিস্তার করেছে যেমন

. তাপমাত্রার বৃদ্ধিঃ- 

পৃথিবীব্যাপী বায়ুমণ্ডলের উষ্ণায়নের ফলে উত্তর দক্ষিণ মেরু অঞ্চলের চিরতুষার-বৃত অঞ্চলে পুরু বরফের স্তর গলে যাচ্ছে এবং একের পর এক হিমশৈল ভেসে আসছে উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলেও তুষার গলা জলের প্রবাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বিভিন্ন  হিমবাহ পিছিয়ে যাচ্ছে ১৮৮০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে ভূপৃষ্ঠ সমুদ্রপৃষ্ঠের গর উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়েছে .৮৫ ডিগ্রি  সেলসিয়াস সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি হল জার অনিবার্য পরিণতি

. সমুদ্র পৃষ্টের উচ্চতা বৃদ্ধিঃ 

হিমবাহ গলা জলরাশি সমুদ্রে জলের যোগান বৃদ্ধি করছে , জার প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ধীরগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে সমুদ্র বিজ্ঞানীদের পরিমাপ অনুযায়ী ১৯১৩ সাল থেকে সমুদ্রপৃষ্ঠের গর উচ্চতার বৃদ্ধি ঘটেছে +. মিলিমিটার একবিংশ শতাব্দীতে বৃদ্ধির এই হার আরও বেশি হওয়ার আশঙ্কা আছে

. ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা বৃদ্ধিঃ

পৃথিবীব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ১৯৫১ থেকে ২০১০ সালের সময় সীমার মধ্যে সুন্দরবনের দিকে ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে সাম্প্রতিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে সমুদ্র সমতলের তাপমাত্রা বৃদ্ধির দরুন সাইক্লোনের পরিমাণ তীব্রতা মারাত্মক ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে

 যদি গ্রীন হাউস  এফেক্ট সম্বন্ধে জানতে চান তাহলে এখানে ক্লিক করুন


গঙ্গা-পদ্মা-মেঘনার বদ্বীপের সক্রিয় অংশে অবস্থিত সুন্দরবন অঞ্চলে সমুদ্র পৃষ্টের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে তার অনেকাংশেই সমুদ্রের জলে ডুবে যায় বহু বদ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত সুন্দরবন অঞ্চলের অন্তত তিনটি দ্বিপে বঙ্গোপসাগরের জলস্তর বৃদ্ধির নেতিবাচক প্রভাব পরেছে , যেমন


. লোহাচড়া দ্বীপ – 

বেশিরভাগ সমুদ্র বিজ্ঞানীদের ধারণা সুন্দরবন অঞ্চলের লোহাচড়া দ্বীপ হল পৃথিবীর প্রথম জনবসতিপূর্ণ দ্বীপ যা সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধির জন্য নিমজ্জিত হয়েছে বেশ কয়েক বছর ধরে ক্ষয়ের ফলে সঙ্কুচিত হতে হতে ১৯৯৫ সাল নাগাদ দ্বীপটি জলরাশির নিচে বিলীন হয় ইদানীং উপগ্রহ প্রেরিত দূরসংবেদী চিত্র দেখে অনেক বিজ্ঞানী মনে করছেন ২০০৭ এবং ২০০৯ সালের পর থেকে লোহাচড়ার পুনরুত্থান ঘটছে এবং ভাটার সময় সেখানে অনুচ্চ চর জাগছে

. নিউমুর দ্বীপ

বঙ্গোপসাগরের একটি জনবসতিহীন ছোট দ্বীপ হল নিউমুর যা বাংলাদেশের তালপট্টি নামে পরিচিত ছিল ১৯৭০  ভোলা ঘূর্ণিঝড়ের পরে সমুদ্রের বুকে এই দ্বীপটি জেগে উঠেছিল ২০১০ সাল নাগাদ এই দ্বীপটি আবার নিমজ্জিত হয় , সমুদ্র জলস্তর বৃদ্ধি হল জার মূল কারণ মৌসুমি বর্ষণের চরিত্র পরিবর্তন এবং সমুদ্র সন্নিহিত এলাকার ক্ষয়কেও অনেকে নিউমুর দ্বীপের নিমজ্জিত হওয়ার অপ্রধান কারণ হিসাবে দায়ী করেন

৩. ঘোড়ামারা দ্বীপ 

হুগলী নদীর মোহনার কাছে অবস্থিত এই ক্ষুদ্র দ্বীপটির আয়তন ১৯৭৫ সালে ছিল .৫১ বর্গ কিমি ২০১২ সালে যা সঙ্কুচিত হয়ে দাড়ায় .৪৩ বর্গ কিমি মূলত সমুদ্রপৃষ্ঠের উষ্ণতা বৃদ্ধিকেই এর কারণ বলে মনে করা হচ্ছে বিজ্ঞানীদের ধারণা এই অঞ্চলে বার্ষিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে সমুদ্রের জলস্তর  বৃদ্ধি পেয়েছে  




গঙ্গা-পদ্মা-মেঘনার বদ্বীপের সক্রিয় অংশের ( সুন্দরবনের ) পৃথিবীব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব গঙ্গা-পদ্মা-মেঘনার বদ্বীপের সক্রিয় অংশের ( সুন্দরবনের ) পৃথিবীব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব Reviewed by Admin on 9:11 PM Rating: 5
Powered by Blogger.